,

AD
নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

স্বাধীনতার ৪৪ বছরেও ঝালকাঠির বধ্যভূমি সংরক্ষনে উদ্যোগ নেই মুক্তিযােদ্ধা ও বর্তমান প্রজন্মের ক্ষোভ

লাইক এবং শেয়ার করুন

স্বাধীনতার ৪৪ বছর পরেও ঝালকাঠির অনেক বধ্যভূমি চিহ্নিত ও সংরক্ষন হয়নি। যে সব স্থানে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মান হয়েছে তা অযতœ অবহেলায় পরে আছে। তাই একাত্তরের স্মৃতি আর শোকগাঁথা ঝালকাঠির বধ্যভূমি গুলো কালের গর্ভে হারিয়ে যাচ্ছে। মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী প্রজন্মের দাবি উঠেছে এব্যাপারে সরকারী উদ্যোগে দ্রুত কার্যকারি ভূমিকা নেয়ার।
ঝালকাঠির ৪ উপজেলায় অধিকাংশ বধ্যভূমি চিহ্নিত করার উদ্যোগ নেয়া হয়নি এতদিন পরেও। অনেক স্থানে চিহ্নিত করার পরে ব্যাক্তিগত উদ্যোগে মুক্তিযোদ্ধারা কাজ শুরু করলেও তা অর্থাভাবে অযতœ অবহেলায় পরে আছে। জেলার কিছু কিছু স্থানে সরকারি ভাবে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মান করা হলেও সেগুলো অরক্ষিত। ঝালকাঠির অনেক স্থানে সম্মুখ যুদ্ধ হয়েছে। জীবনের বিনিময়ে পাকসেনা রাজাকারদের মেরে মুক্তিযোদ্ধারা বিজয়ের পতাকা উড়িয়ে ছিল। ঐসব এলাকা দখলমুক্ত করলেও ঐতিহাসিক নিদর্শন স্বরুপ কিছুই করা হয়নি আজো সেখানে। ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলার আমুয়া ও আওড়াবুনিয়ায় মুক্তিযুদ্ধের নিদর্শন সরুপ কিছুই করা হয়নি। এমনকি বধ্যভূমি ও যুদ্ধস্থান সমূহের তালিকাও করা হয়নি বলে মুক্তিযোদ্ধারা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। রাজাপুর উপজেলায় ব্যাক্তিগত উদ্যোগে একটি বধ্যভূমি চিহ্নিত করে স্মৃতি স্তম্ভের কাজ শুরু করলেও অর্থা ভাবে তা অসম্পূর্নই রয়ে গেছে। এছাড়া রাজাপুরের কাঠিপাড়া গনকবরের সন্ধান পেলেও তা সংরক্ষনে নেই কোন উদ্যোগ। ঝালকাঠির পৌর খেয়া ঘাটের বধ্যভূমির স্মৃতিরক্ষায় পৌরসভার বর্তমান মেয়র আফজাল হোসেন একটি বধ্যভূমি সংরক্ষন স্বারক নির্মান করেছেন। এখানে ১৯৭১ সালের ৩০ মে ১০৮ জন নিরীহ বাঙ্গালী ও মুক্তিযোদ্ধাদের নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়। ১৯৭৩ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু এ স্থানটি পরিদর্শন করেন। এ জেলায় ২০ টি বধ্যভুমি এবং ১০টি সম্মুখ যুদ্ধের স্থান চিহ্নিত করা হয়েছে প্রাথমিক ভাবে। ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক এব্যাপারে সরকারি পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন। তিনি নতুন প্রজন্মে কাছে ঝালকাঠির মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস তুলে ধরার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন।


লাইক এবং শেয়ার করুন
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও অন্যান্য সংবাদ