বরিশাল বুলসের বিপক্ষে ৭ উইকেটের সহজ জয় কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের

বরিশাল বুলসের বিপক্ষে সহজ জয় পেয়েছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। ৭ উইকেটের জয়ে বিপিএলের তৃতীয় আসরের শেষ চারের টিকিটও নিশ্চিত করেছে মাশরাফি বিন মুর্তজার দল। বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে মাত্র ১০৫ রানে গুটিয়ে যায় বরিশাল। ব্যাটিংয়ে নেমে আহমেদ শেহজাদের ফিফটিতে সহজেই জয় তুলে নেয় কুমিল্লা। আট ম্যাচে কুমিল্লার এটা ষষ্ঠ জয়। ১২ পয়েন্ট নিয়ে সবার ওপরে আছে তারা। সমান ম্যাচে বরিশালের এটা তৃতীয় হার, ১০ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে আছে দলটি।

সোমবার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করে ৬ উইকেটে ১০৫ রান করে বরিশাল বুলস। জবাবে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৫ বল বাকি থাকতেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় কুমিল্লা। বরিশালের দেওয়া ১০৬ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা মোটেই ভালো হয়নি কুমিল্লার। সাজেদুল ইসলামের করা ইনিংসের প্রথম বলেই ডাক মেরে সাজঘরে ফেরেন লিটন দাস। আরেক ওপেনার ইমরুল কায়েসও রানের খাতা খুলতে পারেননি। দলীয় ১৪ রানে আল-আমিনের বলে রনি তালুকদারকে ক্যাচ দেন ইমরুল।

কুমিল্লার শুরুর ধাক্কাটা সামলে ওঠে দুই পাকিস্তানি ব্যাটসম্যান আহমেদ শেজজাদ ও শোয়েব মালিকের ব্যাটে। তৃতীয় উইকেটে ৩৪ রানের জুটি গড়েন দুজন। মালিককে (৮) ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন স্পিনার তাইজুল ইসলাম। তবে চতুর্থ উইকেটে আরেক পাকিস্তানি ক্রিকেটার আসহার জাইদির সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে এগিয়ে নিতে থাকেন শেহজাদ। এবারের আসরে নিজের প্রথম ফিফটিও তুলে নেন তিনি। শেষ পর্যন্ত দলের জয় নিশ্চিত করেই মাঠ ছাড়েন শেহজাদ।    

বিধ্বংসী সব শটের জন্য সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটের ক্রিকেটে ক্রিস গেইলের আকর্ষণটা একটু বেশিই। তাই বিপিএলের এবারের আসরেও তার কাছ থেকে দারুণ কিছুর প্রত্যাশায় রয়েছে ভক্তরা। কিন্তু বরিশালের জার্সিতে নিজের প্রথম ম্যাচর পর দ্বিতীয় ম্যাচেও ব্যর্থ তিনি। গতকাল সিলেট সুপারস্টারর্সের  বিপক্ষে মাত্র ৮ রানে আউট হয়েছিলেন গেইল। আজ কুমিল্লার বিপক্ষেও সেই একই রানে ফিরে যান ক্যারিবীয় এই ব্যাটিং-দানব। মাত্র ১১ বল মোকাবেলা করে আজ ৮ রান করেন তিনি। তাকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন শোয়েব মালিক।

দলীয় ৪০ রানে ড্যারেন স্টিভেন্স-এর বলে শোয়েব মালিকের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন এই  আসরের প্রথম সেঞ্চুরিয়ান এভিন লুইস (১৫ রান)। ৪২ রানে আসার জাইদির বলে আউট হন মেহেদী মারুফ (০)। ৪৫ রানের মাথায় জাইদির বলে ইমরুল কায়েসের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন রনি তালুকদার (১৯)। এরপর দলীয় ৮৮ রানে আবু হায়দার রনির বলে বোল্ড হয়ে যান মাহমুদউল্লাহ (২৬)। মাহমুদউল্লাহর পর ১৭ রান করে সাজঘরে ফেরেন সাব্বির রহমান। বল হাতে কুমিল্লার হয়ে দুটি উইকেট পান জাইদির। এ ছাড়া ১টি করে উইকেট পান ড্যারেন স্টিভেন্স, কামরুল ইসলাম রাব্বি, শোয়েব মালিক এবং অাবু হায়দার রনি। 

ফেসবুক থেকে মতামত দিন
Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
১৮ বার পঠিত

Leave a Reply