পালিত হচ্ছে বিজয় দিবস

৪৫তম বিজয় দিবসে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রেসিডেন্ট আব্দুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ঢাকার অদূরে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে আজ (বুধবার) ভোর ৬টা ৩৫ মিনিটে যৌথভাবে শহীদদের শ্রদ্ধা জানান তাঁরা। এসময় এক মিনিট নিরবতা পালন করেন প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী।

 

রাষ্ট্রীয় সম্মান জানানোর পর আওয়ামী লীগ সভানেত্রী হিসেবে দলীয় নেতা-কর্মীদের নিয়ে শহীদ বেদীতে আরো একবার শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপরে একে একে জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী, প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহা, বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সংসদ সদস্য ও অন্যান্যরা শ্রদ্ধা জানান। ভোর ৬টা ৪৭ মিনিটে প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী স্মৃতিসৌধ এলাকা ত্যাগ করার পর সর্বসাধারণের জন্য তা খুলে দেয়া হয়।

 

রাজধানীর বাইরে

বন্দর নগরী চট্টগ্রামে বিজয় দিবসের প্রথম প্রহরে কোর্টহিলে ৩১ বার তোপধ্বনি এবং কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে শহীদদের প্রতি সশস্ত্র সালাম ও শ্রদ্ধা জানানোর মধ্য দিয়ে বিজয় দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়। সিটি মেয়র আ. জ. ম নাছির উদ্দিন, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন সমাজিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের মানুষ শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

 

রাজশাহীতে বিজয় দিবসের প্রথম প্রহরে নগরীর ভুবনমোহন পার্কে শহীদদের শ্রদ্ধা জানান রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ মানুষ। বিজয় দিবসের প্রথম প্রহরে সিলেটের চৌহাট্টা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সর্বস্তরের মানুষ জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। রংপুরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ও ভাস্কর্য অর্জনে শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানায় বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, আমার চ্যানেল আই দর্শক ফোরামসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠন।

 

ময়মনসিংহে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সৌধে শহীদ বেদীতে শ্রদ্ধা জানিয়ে বিজয় দিবসের কর্মসূচির সূচনা করেন ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান। পরে শ্রদ্ধা জানায় বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামজিক সংগঠন। গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় রাত ১২টা ১ মিনিটে স্বাধীনতার স্থপতি শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধি সৌধে পুষ্পস্তবক অর্পন, ফাতেহা পাঠ, দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

 

১৬ ডিসেম্বর স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের দিন। দীর্ঘ ৯ মাস সশস্ত্র সংগ্রাম করে বহু প্রাণ আর রক্তের বিনিময়ে এদিনে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর কাছ থেকে বাংলাদেশের মানুষ ছিনিয়ে আনে বিজয়ের লাল সূর্য। দিবসটি উপলক্ষে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে পালিত হচ্ছে নানা কর্মসূচি। দিবসটি উপলক্ষে প্রেসিডেন্ট মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া, বিরোধী দলের নেতা রওশন এরশাদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা বাণী দিয়েছেন। আজ সরকারি ছুটির দিন।

ফেসবুক থেকে মতামত দিন
Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
৩৩ বার পঠিত

Leave a Reply