বাংলাদেশে নতুন পর্যটনের আরেক দিগন্ত কাঁঠালিয়ার ছৈলারচর

সমস্যার সমাধান হলে অল্প সময়ের মধ্যে কুয়াকাটা কিংবা কক্সবাজারের চেয়ে আনন্দ ভ্রমন ও পিকনিক স্পট হিসেবে গড়ে উঠতে পারে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও সবুজের বেষ্টনিতে ঘেরা ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলার বিষখালী নদীর হেতালবুনিয়া ছৈলারচর নামক পিকনিক স্পটটি । প্রয়োজনীয় সুজোগ সুবিদা না থাকায় সরকার হারাচ্ছে লাখ লাখ টাকার রাজস্ব। প্রতিদিন এখানে নানা বয়স ও পেশার নারী-পুরুষ পিকনিকের জন্য ভীড় করছেন। বর্তামানে সরকারের একাধিক উর্ধ্বতন কর্মকর্তা এ স্পটটি পরিদর্শন শেষে অনেক আশ্বাস এর বানী সুনালে ও এখন পর্যন্ত কোন প্রভাব ফেলেনি আগন্তকদের জীবনে।

 

ঝালকাঠি জেলার কাঠালিয়া উপজেলার হেতালবুনিয়া ও আমুয়া গ্রাম সংলগ্ন বিষখালী নদীর অংশে একশত একর জমি নিয়ে শৈলারচর নামক পিকনিক স্পট। এ চরের চতুর দিকে নদী এবং পুরো চরটিতে সবুজ গাছের বাগান থাকায় পিকনিক কারীদের এ জায়গাটি খুবই পছন্দের। এ চরে ছৈলা, কেয়া, হোগল, রানা, এলি, মাদার, আরগুজি সহ বিভিন্ন প্রজাতের সবুজ গাছে ঘেরা। তবে অধিকাংশ ছৈলা গাছ হওয়ায় স্থানীয় লোকজন এ চরটির নাম দিয়েছে ছৈলার চর। দীর্ঘ এক যুগ ধরে দূর দুরন্ত থেকে নানা বয়সি নারী-পুরুষ লঞ্চ, ট্রলার ও নৌকায় প্রতিদিন এখানে বনভোজনের জন্য আসেন। আগন্তক‘দের হৈ হুল্লা ও নাচ গানে মনে হচ্ছে প্রকৃত বনভোজনের সাধ প্রাকৃতির তৈরী এ ছৈলার চরেই পাওয়া যাচ্ছে। বিভিন্ন অঞ্চলের লোকের যাতায়ত সত্তেও এ পর্যটন কেন্দ্রে ও পিকনিক স্পটটি নিয়ে মাথা ব্যাথা নেই সরকারী-বেসরকারী কোন সংস্থার।

 

সমস্যায় জর্জরিত এ পিকনিক স্পটে নেই টয়লেট, বিশুদ্ধ পানি, নদী থেকে উঠা নামার সিড়ি কিংবা ঘাটলা, বিদ্যুৎ. টলঘর, রেষ্ট হাউজ, দোকানপাট এবং সড়ক পথের যোগাযোগ ব্যবস্থা। নৌ পথে হাটু সমান কাদা ভেঙে চলাচল করতে হচ্ছে। এ পর্যটন কেন্দ্রেটি সম্প্রতি প্রধান মন্ত্রীর কার্যালয়ের গর্ভানেন্স ইনোভেশন ইউনিটের মহাপরিচালক মোঃ আবদুল হালিম পরিদর্শনের জন্য আসেন এবং এখানে একটি আধুনিক পর্যটন কেন্দ্র করার কথা জানান। দীর্ঘ সময়ে পর্যটন কেন্দ্রের কোনো কাজ শুরু হয় নি। এর পূর্বে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা লঞ্চ যোগে ছৈলার চর পর্যটন কেন্দ্রে বাৎসরিক পিকনিক করে ও স্থানটি পরিদর্শন করেন। ফলে স্থানীয় প্রশাসনের উদ্যোগে কিছু দিন পূর্বে ৩টি টয়লেট একটি টিউবওয়েল নির্মানের কাজ শুরু হয়েছে। দ্রুত এখানকার সমস্যা গুলোর সমাধানের দাবী স্থানীয়দের।

 

পিকনিকে আসা কলেজ ছাত্র মোঃ রবিউল ইসলাম জানান, এখানে সিড়ি বা ঘাটলা দরকার, না থাকার কারনে হাটু সমান কাদা ভেঙ্গে যাতায়েত করা হচ্ছে। ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম খোকন জানান, এ পর্যটন কেন্দ্রে আসা লোকজনের জন্য টয়লেট বা বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা না থাকায় পর্যটক ও পিকনিক কারীরা চরম র্দভোগে পরছেন। এ ব্যাপারে কাঠালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবিএম সাদিকুর রহমান জানান, ছৈলারচর পর্যটন ও পিকনিক ¯প্রটে ইতো মধ্যে উপজেলা পরিষদ থেকে ৩টি টয়লেট, একটি টিওবয়েল ও একটি মাটির রাস্তা নির্মান করা হয়েছে। বিষয়টি উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের অবহিত করা হয়েছে। ভবিষতে সকল সমস্যার সমাধান করা হবে। ভূক্তভোগিরা এ পর্যটন কেন্দ্রের সকল সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধানের জন্য দাবী জানিয়েছেন। অপডেট ইউজারঃ মিজানুর রহমান পনা (মিজানপনা) সংবাদটি লেখকঃ আমিনুল ইসলাম কাঠালিয়া ।

ফেসবুক থেকে মতামত দিন
Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
৩৭ বার পঠিত

মিজানুর রহমান পনা (মিজানপনা)

Meezanur rahman Pana SAMOBAD PROJUKTI CENTER. RAJAPUR,JHALAKATHI Contact no:01715657840,01833411222, E-mail:meezanpana@gmail.com Excepted Post: Jhalakathi Correspondent.

Leave a Reply